[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Website ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
- দেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্লাজমা রিয়েক্টর পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।সেন্টমার্টিনে পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা:
- প্লাস্টিক বোতলের পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে খাবার পানি সরবরাহ করা হবে।
- রেইন ওয়াটার, গ্রাউন্ড ওয়াটার এবং সারফেস ওয়াটার পরিশোধন করা হবে।
- এটিএম কার্ডের মতো একটি বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করা যাবে।
- বিশেষ ল্যাবরেটরিতে পানির মান যাচাই হবে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা:
- মল স্লাজ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্লাজমা রিয়েক্টর প্রযুক্তি ব্যবহার।- বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, যা বাংলাদেশে দ্বিতীয়।
- মানব বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য ও প্লাস্টিক বর্জ্যের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা।
- পরিবেশ দূষণ কমাবে এবং প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করবে।
- সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা করবে।
- ১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিনকে "প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা" ঘোষণা করা হয়।
- ২০২৩ সালে সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১,৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা।
উল্লেখ্য, - প্লাজমা রিয়েক্টর হলো একটি উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি, যা প্লাজমা আর্ক বা উচ্চ তাপমাত্রার প্লাজমা ব্যবহার করে বর্জ্যকে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[
লিঙ্ক]