• চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন — ভুসুকুপা। - তাঁর রচিত আটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে রচিত। - নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকু নামটিকে ছদ্মনাম বলে মনে করা হয়। - তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।
• 'অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী' এর ভাবার্থ: হরিণের মাংস সুস্বাদু বলে শিকারি তার পেছনে তীর হাতে ছোটে। হরিণের মাংস বিস্বাদ হলে শিকারি হরিণের দিকে চোখ তুলে চেয়েও দেখত না। কাজেই হরিণ নিজেই নিজের শত্রু। প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের কবি শিকারির ওপর দোষ না রেখে ভিকটিম হরিণের ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন। কবির কথার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকতে পারে, তবে কবির কথাটা রূঢ় বাস্তব।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, চর্যাগীতিকা- মুহম্মদ আবদুল হাই।