”ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?”- উক্তিটি কোন কবিতার অংশ?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ”ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গানআসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?”-
উক্তিটি কাজী নজরুল রচিত 'কাণ্ডারী হুশিয়ার!' কবিতার অংশ।
---------------------------------------------
কাণ্ডারী হুশিয়ার!
– কাজী নজরুল ইসলাম।
“দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুশিয়ার!”
“ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন্ বলিদান
আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!”
---------------------------------------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য–সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- নজরুলের ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিত।
- এবং আধুনিক বাংলা গানে তিনি ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথের অনুকরণমুক্ত স্বতন্ত্র সাহিত্যসাধনায় তাঁর অবদান অনন্য।
- সাহিত্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন।
- এ কারণে ব্রিটিশ সরকার তাঁর গ্রন্থ নিষিদ্ধ করে ও কারাবন্দি করে।
- কারাগারে তিনি রাজবন্দীর জবানবন্দী রচনা ও দীর্ঘ অনশনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
----------------------------------------
• ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ নিয়ে কিছু তথ্য-
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি তাঁর ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা।
- অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতায় কবি যুবসমাজ ও নেতৃত্বকে সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে জাতির হাল ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
- এছাড়া, ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে দেশমাতৃকার মুক্তির বার্তা ও দিয়েছেন।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন