মূল বিষয়বস্তুতে যান

যমুনা রেলওয়ে সেতুতে কোন ধরনের রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে?

সঠিক উত্তর

ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক

সঠিক উত্তর: ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ নম্বর

কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

⇒ যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)।
- দেশের সর্ববৃহৎ এ রেলওয়ে সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই জয়েন্টভেঞ্চার।
- জাপানি ৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশাল এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রেলপথ দুই ধরনের: মিটারগেজ ও ব্রডগেজ।
- মিটারগেজ এক মিটার তথা ৩৯.৩৭ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ব্রডগেজ ৬৫.৯৮ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ডুয়েলগেজে তিনটি রেল (রেলের পাত বা ট্র্যাক) থাকে, যাতে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ– উভয় ট্রেন চলতে পারে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. সিঙ্গেল গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক
  2. ডুয়েল গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক
  3. ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক সঠিক
  4. ব্রড গেজ সিঙ্গেল ট্র্যাক

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

  2. 2

    কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

  3. 3

    দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

  4. 4

    চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

  5. 5

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল