সবুজ বিপ্লব - বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার এবং সেচের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে গম, ধান, ভুট্টা প্রভৃতির উৎপাদনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতি দ্রুত যে বিরাট সাফল্য অর্জিত হয়েছে তাকে ‘সবুজ বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। - নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শস্য উৎপাদনের যে দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে তাকে সর্বদাই যৌবনদীপ্ত রাখার জন্য ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ ইউসএইড (USAID)- এর পরিচালক উইলয়াম. এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। - সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোতে। - মূলত উচ্চ ফলনশীল গম জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের যাত্রা শুরু। - এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরমোন ই বোরলগ। - সবুজ বিপ্লবের ফলে ভারত ও পাকিস্তান ষাট- এর দশকের শেষভাগে ব্যাপক ক্ষুধা ও দূর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা পায়। - সবুজ বিপ্লবের সাফল্যের পেছনে দুটো আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান সবেচেয়ে বেশি। - একটি মেক্সিকোয় প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম গবেষণা কেন্দ্র (CIMMYT) এবং অপরটি ফিলিপাইনে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI)।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়েছে ষাট- এর দশকে।