সালে মাগুরা ও শ্রীপুর অঞ্চলে পাকিস্তানি ও রাজাকার বাহিনীর ভয়ের কারণ ছিল কোন বাহিনী?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: আকবর বাহিনী
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: আকবর বাহিনী
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
১৯৭১ সালে মাগুরা ও শ্রীপুর অঞ্চলে পাকিস্তানি ও রাজাকার বাহিনীর ভয়ের কারণ ছিল- আকবর বাহিনী।
আকবর বাহিনী:
• আকবর বাহিনী, শ্রীপুর, মাগুরার একটি স্থানীয় মুক্তিবাহিনী ছিল।
• এর প্রধান ছিলেন আকবর হোসেন মিয়া।
• মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মাগুরায় গঠিত সংগ্রাম কমিটির বেশিরভাগ নেতা মে মাসের শুরুতে ভারতে চলে যান।
• ফলে নেতৃত্ব ও নির্দেশনাহীন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
• মাত্র কয়েকটি ৩০৩ রাইফেল, ১টি চাইনিজ রাইফেল ও অল্প গুলির ওপর ভিত্তি করে তিনি বাহিনী গঠন করেন।
• ৩ নং শ্রীকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আকবর হোসেন মিয়া একটি সুশৃঙ্খল মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলেন।
• যুদ্ধ চলাকালে এটি “আকবর বাহিনী” নামে পরিচিতি পায়।
• আকবর হোসেন মিয়া ১৯২৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই মানিকগঞ্জসহ ঢাকার উত্তরাংশে বিস্তৃত এক অঞ্চলজুড়ে গড়ে উঠেছিল স্বতন্ত্র এক আঞ্চলিক বাহিনী। অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বাহিনীটি পরিচিত ছিল ‘হালিম বাহিনী’ নামে।
- আফসার বাহিনী, ভালুকা, ময়মনসিংহর একটি স্থানীয় মুক্তিবাহিনী এর প্রধান ছিলেন আফসার উদ্দিন আহমেদ।
- হেমায়েত বাহিনী, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধকালে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা অন্যতম বৃহৎ মুক্তিবাহিনী।
উৎস: সংগ্রামের নোটবুক।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন