মেধাবী
Toggle menu

মহাকাশকে বায়ুমণ্ডলের অংশ হিসেবে ধরা হয় না কেন?

সঠিক উত্তর
বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথে ঘোরার ফলে

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

মহাকাশ (Space):
- আকাশের দিকে তাকালে দূর দূরান্তের অনেক বস্তু দেখা যায়।
- দিনের আকাশের সূর্য আর রাতের আকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি চোখে পড়ে।
- যদি দুরবীক্ষণ দিয়ে আকাশের দিকে দেখা হয়, তখন আরও অনেক কিছু দেখা যায়। যেমন- বৃহস্পতি গ্রহ তার উপগ্রহসহ জ্বলজ্বল করতে থাকে।
- গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ইত্যাদির মাঝখানে যে খালি জায়গা, তাকে মহাকাশ বা মহাশূন্য বলে।
- মহাকাশের দিকে তাকালে যেসব বস্তুকে দেখতে পাওয়া যায় তা হলো পদার্থ।

মহাকাশ বা মহাশূন্যের শুরু যেখান থেকে:
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথেই মহাকাশে ঘুরছে, এজন্য বায়ুমণ্ডলকে মহাকাশের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; একে পৃথিবীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- অধিকাংশ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বেশ কাছাকাছি।
- পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, বায়ুমণ্ডল তত হালকা হতে থাকে এবং ১৬০ কিলোমিটারের পর বায়ুমণ্ডল থাকে না বললেই চলে।
- অধিকাংশ বিজ্ঞানী মনে করেন যে, পৃথিবী থেকে ১৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের শেষ এবং মহাকাশের শুরু।
- এক সময় মানুষ ভাবত যে, যত দূর পর্যন্ত সবচেয়ে দূরের বস্তুটি তারা দেখতে পায়, সে পর্যন্তই মহাকাশ বিস্তৃত এবং মহাকাশ বক্রাকৃতির।
- পরবর্তীতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের পর মানুষ তার দৃষ্টিসীমার বাইরের অনেক গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু ও গ্যালাক্সি দেখতে পাই।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

সেখানে তাপমাত্রা বেশি থাকার ফলে
বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথে ঘোরার ফলে সঠিক
মহাকাশে সবসময় সূর্য থাকার ফলে
বায়ুমণ্ডলে কোনো পদার্থ না থাকার ফলে

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বিজ্ঞান
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড