বাক্যের প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা কয় প্রকার?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা তিন রকম হতে পারে।
যথা:
১. কর্তৃবাচ্যের কর্তা (সাধারণ কর্তা)
বাক্যে কর্তার প্রাধান্য থাকে এবং কর্তা সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদন করে।
উদাহরণ: রাহুল বই পড়ে। (এখানে ‘রাহুল’ কর্তা)
২. কর্মবাচ্যের কর্তা
বাক্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে। কর্তার আগে ‘দ্বারা’/‘কর্তৃক’ যুক্ত হয়।
উদাহরণ: পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে। (এখানে ‘পুলিশ’ কর্মবাচ্যের কর্তা)
৩. ভাববাচ্যের কর্তা
বাক্যে ক্রিয়া বা ভাবের প্রাধান্য থাকে। কর্তা সাধারণত ‘আমার’, ‘তোমার’ ইত্যাদি ষষ্ঠী বিভক্তিতে থাকে।
উদাহরণ: আমার যাওয়া হবে না। / তার খাওয়া হয়েছে। (এখানে ‘আমার’, ‘তার’ ভাববাচ্যের কর্তা)
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন