বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অন্তর্গত।
• টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড়ের সৃষ্টি হয়।
• পাহাড়গুলো আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
• এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
• রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
• বান্দরবানের তাজিংডং (বিজয়) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
• তাজিংডং (বিজয়)-এর উচ্চতা ১,২৮০ মিটার।
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
• ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটার।
• উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
• টিলাগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন