• সাইবার অপরাধ: বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো: - কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা। - ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা। - প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা। - স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা। - স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা। - ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোনো ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।) - Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।) - Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)। - ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ। - স্প্যামিং (Spamming): অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। - লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)। - ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।) - ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি। - ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।