মেধাবী
Toggle menu

জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি ২০২২ এর উদ্দেশ্য হচ্ছে -

সঠিক উত্তর
উপরের সবগুলো

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি ২০২২:
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ৫৬ লাখ মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্দেশে ৬ এপ্রিল ২০২২ “জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি-২০২২” এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এরপর ১৪ জুলাই ২০২২ তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

মূলনীতি ও লক্ষ্য:
১. কর্মসংস্থান নীতির মূল লক্ষ্য হবে জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক যুগোপযোগী, বৈষম্যহীন, অধিকারভিত্তিক, স্ব-উদ্যোগী ও উৎপাদনশীল পূর্ণ কর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
২. দেশের সকল কর্মক্ষম কর্মসংস্থান প্রত্যাশী মানুষের কর্মের সুযোগ সৃষ্টি ও কর্মে নিয়োগের উপায় নির্ধারণ, কর্মসংস্থান এবং কর্মের জন্য জনশক্তিকে উপযুক্ত ও দক্ষ করে তোলার মাধ্যমে বেকারত্বহীন দারিদ্রমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এ নীতির লক্ষ্য।

নীতি-উদ্দেশ্য:
১) বাংলাদেশের সকল নারী-পুরুষের অবাধ ও পছন্দমাফিক উৎপাদনশীল পূর্ণ কর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
২) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষম বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন উৎপাদনমূখী শ্রমশক্তি গড়ে তোলা।
৩) কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি।
৪) কর্মমুখী শিক্ষা প্রবর্তন ও আত্মকর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
৫) প্রতিটি নারী-পুরুষের নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী বৈষম্যহীনভাবে উপযুক্ত কর্মে নিযুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।
৬) অনুসমর্থিত আন্তর্জাতিক দলিলের আলোকে দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শোভন কর্মপরিবেশ ও কর্মে নিয়োজিত সকল ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করা।
৭) কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে সেবার মানসিকতা সৃষ্টি করা ।


সূত্র: সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ ও নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি।
কর্মমুখী শিক্ষা প্রবর্তন ও আত্মকর্মসংস্থান উৎসাহিত করা।
কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে সেবার মানসিকতা সৃষ্টি করা ।
উপরের সবগুলো সঠিক

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
সাম্প্রতিক বিষয়াবলি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড