কোনো স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণ জানা থাকলে যেমন ঐ স্থানের যে কোনো বস্তুর ওজন (অভিকর্ষ জনিত বল) বের করা সুবিধা হয়, তেমনি তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা জানা থাকলে ঐ বিন্দুতে অবস্থিত যে কোনো আধানের উপর ক্রিয়াশীল বলের মান নির্ণয় করা সম্ভব। তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে কোনো বিন্দুতে একক ধনাত্মক আধান রাখলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ ক্ষেত্রের ঐ বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা বলে। একে E দিয়ে প্রকাশ করা হয়। তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে +q আধান রাখলে যদি আধানটি F বল অনুভব করে তাহলে ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা,
E = F/q
তড়িৎ তীব্রতা একটি দিক রাশি এবং এর দিক হলো ঐ আধানের উপর বল যে দিকে ক্রিয়া করে সেই দিক বরাবর। তড়িৎ তীব্রতার একক হলো NC-1