বাংলা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে কোন গ্রন্থে উল্লেখ আছে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: আইন-ই-আকবরী
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: আইন-ই-আকবরী
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে আবুল ফজল বাংলা নামের উৎপত্তির একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
- তার মতে এদেশের প্রাচীন নাম ছিল ‘বঙ্গ'।
- এর আগে আমরা অবশ্য একটি ছোট জনপদ হিসেবে বঙ্গ নামক অঞ্চলের সাথে পরিচিত হয়েছি।
- আবুল ফজলের মতে প্রাচীনকালে এই বঙ্গ অঞ্চলের রাজারা ১০ গজ উঁচু ও ২০ গজ চওড়া প্রকাণ্ড ‘আল বা বাঁধ’ নির্মাণ করতেন।
- এ থেকে বঙ্গ+আল=বঙ্গাল, বাঙ্গাল বা ‘বাঙ্গালা' নাম হয়েছে।
- তবে একথা ঠিক মুসলিম আমলের পূর্বে ‘বঙ্গ’ ও বাঙ্গালা বাংলার অংশ বিশেষের নাম ছিল।
- আবুল ফজল সে সময়ের বাংলার একটি সীমা এঁকেছেন।
- তার মতে বাংলা চট্টগ্রাম থেকে রাজমহলের নিকট তেলিয়াগর্হি পর্যন্ত চারশত ক্রোশ লম্বা ছিল।
- পূর্ব ও উত্তর দিক ছিল পাহাড়ে ঘেরা । বাংলার দক্ষিণে ছিল সাগর আর পশ্চিমে বিহার প্রদেশ। তখন প্রদেশগুলোর নাম হয় 'সুবা’। সুবা বাংলা তখনও চট্টগ্রাম থেকে তেলিয়া গর্হি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ব্রিটিশ শাসন যুগেও সীমারেখার তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি।
- তখন চট্টগ্রাম থেকে রাজমহল এবং হিমালয় পর্বত থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বাংলার বিস্তার ছিল।
- ১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত সিলেট জেলা ছিল আসামের সাথে যুক্ত। পরে তা আবার বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় ।
উৎস : ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন