টেরিডোফাইটা: - গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। - এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। - মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। - পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। - বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। - টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- • Pteris, • Psilotum, • Lycopodium, • Equisetum ইত্যাদি।
টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: ১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। ২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। ৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। ৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। ৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। ৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। ৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। ৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। ৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। ১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। ১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। ১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। ১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।