এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• "শবনম" উপন্যাস:
- "শবনম" সৈয়দ মুজতবা আলীর এক কালজয়ী প্রেমের উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের অনন্য। উপন্যাসটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ প্রেমের উপন্যাসের তালিকা করলে তার রচিত 'শবনম' শীর্ষে থাকবে। নায়িকার নামে উপন্যাসের নাম। লেখক উত্তম পুরুষে উপন্যাসটি বর্ণনা করেছেন।
- মুজতবা আলীর ভ্রমণ কাহিনির ঘ্রাণ শবনমেও পাওয়া যাবে, আফগানিস্তানের কাবুল, পাগমান, মাজার-ই-শরীফ তো আছেই, সাথে আছে বাংলাদেশের সিলেট।
উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
উপন্যাসের নায়ক মজনূনের সাথে শবনমের প্রথম দেখা হয় আফগানিস্তানের পাগমান শহরে। প্রথম দেখাতে তুর্কি বংশোদ্ভূত আফগান অষ্টাদশী তরুণী শবনমকে ভাল লেগে যায় বাঙালি যুবক মজনুনের। সর্দার আওরঙ্গজেব কন্যা শবনম, যে রাজকন্যা সমতুল্য তাকে কি ভিনদেশি বাঙালি শিক্ষকের পাশে মানায়? কিন্তু ভালোবাসা তো জাত-কূল মানে না। শবনমকে মজনূনের দেয়া প্রথম উপহার ছিল সিলেটি লেবু। আর শবনমের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছিল কাগজে লেখা কবিতা। বাংলার সুলতান গিয়াস উদ্দীন আজম শাহের আমন্ত্রণে পারস্যের কবি হাফিজের লেখা সেই কবিতা।
শবনমের সাথে মজনূনের দেখা হওয়া, কাছে আসা, প্রেম, পরিণয়, বিচ্ছেদের মাধ্যমে কাহিনি এগিয়েছে। মজনূন শবনমের জন্য ফার্সি শিখতে শুরু করে। ফার্সি, উর্দু, ফরাসি, বাংলা কবিতায় সে শবনমকে মুখরিত করে রাখে। শবনমও কম যায় না, কবিতার ফুলঝুরি তার বাক্যবন্ধে লুটোপুটি খায়। উপন্যাসটি আত্মবর্ণনায় লেখা বলে, পাঠকের বারবার মনে হবে, সত্যিই কি মুজতবা আলীর সাথে শবনম নামের কোনো নারীর প্রণয় ছিল?
উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি-
"আমার মিলনে তুমি অভ্যস্ত হয়ে যেও না, আমার বিরহে তুমি অভ্যস্ত হয়ে যেও না।"
উৎস: "শবনম" উপন্যাস এবং প্রথম আলো রিপোর্টস, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড