মূল বিষয়বস্তুতে যান

ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?

সঠিক উত্তর

ধর্মীয় সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন

সঠিক উত্তর: ধর্মীয় সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ নম্বর

কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলন ছিল উনিশ শতকে বাংলায় সংঘটিত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল ধর্ম সংস্কার, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনে আর্থ-সামাজিক সংস্কারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- এ আন্দোলনের প্রবক্তা হাজী শরীয়তউল্লাহ।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ বাংলায় ব্রিটিশ শাসনকে মুসলমানদের আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচনা করতেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি। তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন। জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ফরায়েজী আন্দোলন অসামান্য দ্রুততার সঙ্গে ঢাকা, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল), ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা (বর্তমান কুমিল্লা), চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলাসমূহে এবং আসাম প্রদেশে বিস্তারলাভ করে।
- হিন্দু জমিদার ও ইউরোপীয় নীলকরদের সঙ্গে অবিরাম সংঘর্ষের ফলে আন্দোলনটি ক্রমান্বয়ে আর্থ-সামাজিক রূপ পরিগ্রহ করে।
- ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার একমাত্র পুত্র মুহসীনউদ্দীন ওরফে দুদু মিয়াকে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা ঘোষণা করা হয়।
- তিনি ফরায়েজী আন্দোলনকে একটি সুবিন্যস্ত ও শক্তিশালী সাংগঠনিক রূপ দেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনভূক্ত সমগ্র অঞ্চলকে তিনি কয়েকটি সার্কেলে বিভক্ত করেন।
- অত্যাচারী জমিদার নীলকরদের মোকাবেলায় একটি সুশৃংখল লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল।
- জমিদার-নীলকরদের সঙ্গে দুদু মিয়ার বাহিনীর বেশ কয়েকবার সরাসরি সংঘর্ষ বাঁধে।
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের সময় দুদু মিয়াকে বন্দী করা হয়।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুক্তি পান।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজী আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ঊনিশ শতকের শেষ প্রান্তে ফরায়েজী আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. সামরিক প্রশিক্ষণ
  2. সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ
  3. কর সংগ্রহ
  4. ধর্মীয় সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন সঠিক

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

  2. 2

    কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

  3. 3

    দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

  4. 4

    চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

  5. 5

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল