বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় কোন জেলায়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: দিনাজপুর
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: দিনাজপুর
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায়।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে অনুসন্ধান চালিয়ে খনিজ সম্পদের এ মজুদ শনাক্ত করে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।
- জিএসবির গবেষণায় খনিটিতে উচ্চমানের লোহার আকরিক ম্যাগনেটাইটের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়।
- লোহার পাশাপাশি সেখানে কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামের মতো মূল্যবান খনিজ উপাদানের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে।
- অনুসন্ধানে ভূগর্ভের প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুট গভীরতায় লোহার স্তর শনাক্ত করা হয়।
- খনিজসমৃদ্ধ এ এলাকার বিস্তৃতি আনুমানিক ১০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বলে ধারণা করা হয়েছে।
- জিএসবির তথ্য অনুযায়ী, খনিটিতে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ বিভিন্ন মূল্যবান খনিজ সম্পদ মজুদ রয়েছে।
- এই আবিষ্কার দেশের খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও শিল্পখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন