বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানকে দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ৭
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• দেশের সর্বোচ্চ আইন:
- বাংলাদেশের সংবিধান সর্বোচ্চ আইন হিসেবে স্বীকৃত।
- সংবিধানের ব্যাখ্যা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং কোনো আইন বা কার্যকলাপ যদি সংবিধানবিরোধী হয় তাহলে তা বাতিল ঘোষণা করার দায়িত্ব ও ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের।
- এ কারণে সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের অভিভাবক, রক্ষক ও ব্যাখ্যাকারক বলা হয়।
- সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ (আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ) সম্মিলিতভাবে সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করে।
⇒ আইনি ভিত্তি বা সাংবিধানবিক ক্ষমতা:
• সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ: সংবিধানকে সর্বোচ্চ আইন ঘোষণা করা হয়েছে।
• সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ: কোনো আইন বা সরকারি আদেশ সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হলে সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।
⇒ অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷
অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ।
অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বিচার বিভাগীয় বাতায়ন।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন