প্রাণিজগৎ:
- এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না।
- সাধারণত একোষগুলোতে প্লাস্টিডও থাকে না, তাই খাদ্যের জন্য এরা উদ্ভিদের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল।
উদাহরণ- মাছ, পাখি, গরু, মানুষ ইত্যাদি।
- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১। মেরুদণ্ডী প্রাণী:
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে, তাদেরকে বলা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী।
যেমন- মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদির মেরুদণ্ড আছে।
- এদের মেরুদণ্ড আছে, দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে, পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে, চোখ সরল প্রকৃতির।
- মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে।
- এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
২। অমেরুদণ্ডী প্রাণী:
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, তাদেরকে বলা হয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।