ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র-
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সাপ্তাহিক সৈনিক
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সাপ্তাহিক সৈনিক
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র। এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।
উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।
অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন