• মনিটরের বৈশিষ্ট্য: ১. পিক্সেল: - কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
২. রেজুল্যশন: - ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্মতাকে রেজুল্যশন বলে। - একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। - একটি CRT তে 640টি কলাম এবং 480টি পিক্সেল সারি থাকলে CRT এর রেজুল্যশন হবে 640 X 480
৩. নন-ইন্টারলেস্ক: - টেলিভিশনের ছবি চোখে দৃশ্যমান এবং গতিমান রাখার জন্যে একটা ছবিকে ফ্রেম হিসেবে পাঠানো হয়। একটা ফ্রেমে ২৫টি লাইন থাকে এবং পরবর্তী ফ্রেমের ২৫টি লাইন থাকে। এখন গতিময়তা দেবার জন্যে এক ফ্রেমকে অন্য ফ্রেমের ওপর ১, ৩, ৫, ৭, ৩২, ৪, ৬. ৮ পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়।
৪. লো-রেডিয়েশন: - বর্তমানে ব্লাক ট্রিনিট্রিন পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে মনিটরের পর্দাকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে ভেতরের ইলেকট্রনসমূহ বাইরে যথাসম্ভব না বেরিয়ে পর্দায় লেখার উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে মানুষের চোখ রক্ষা পাবে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।