• উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত: ১. উচ্চ স্বরধ্বনি - [ই], [উ]। ২. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি - [এ], [ও]। ৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি- [অ্যা], [অ]। ৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - [আ]।
[উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।]
----------------------- • জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা: ১. সম্মুখ স্বরধ্বনি: ই, এ, অ্যা। ২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ। ৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।
----------------------- • স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত: - সংবৃত: [ই], [উ]; - অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও]; - অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ]; - বিবৃত: [আ]।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।