• ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন জোরদার হতে দেখে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন এবং বিভিন্ন জনসভায় ৬ দফাকে ষড়যন্ত্রমূলক রাষ্ট্রদ্রোহী ও পাকিস্তান ভাঙ্গার দলিল বলে আখ্যা দিতে থাকেন। - সরকার এবং প্রতিক্রিয়াশীল দলগুলোর কটূক্তি সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানে ৬ দফা আন্দোলন ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকলে পাকিস্তান সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর নির্যাতন চালাতে থাকে। - আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবসহ আরো অনেক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে। - নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। - ঐদিকে মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বহু লোক প্রাণ হারায়। - ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনের মধ্যদিয়েই ছয় দফার প্রতি পূর্ববাংলার জনগণের তুলনাহীন সমর্থন প্রমাণিত হয়। সরকারের প্রতি জনগণের ঘৃণা তীব্রতর হয়। - ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনকে স্মরণ করতে প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত হয়।
সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও যুগান্তর।