• শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: - শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন, কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। - মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। - মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। - তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। - এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। - অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। প্রাণিভেদে এর তারতম্য আছে।
• কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা: - মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা = ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz, - কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz, - বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা = ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz, - ইঁদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz, - বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা = ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz.
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।