বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে -
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রকৃতি হলো: লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়। এটি একটি বিস্তারিত লিখিত দলিল, এর মূল কাঠামো পরিবর্তন কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রকৃতি হলো: লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়।
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা রিপোর্ট।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন