বেনাপোল স্থলবন্দর: - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর। - বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত। - মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। - স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।। - বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত। - দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, ⇒ সোনা মসজিদ স্থলবন্দর: - সোনা মসজিদ স্থল বন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপেজলার সোনা মসজিদ সীমান্তে অবস্থিত। - সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার ইংলিংশ থানার মহাদীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত। -স্থলপথে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২/০১/২০০২ খ্রি: তারিখে সোনা মসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
⇒ ভোমরা স্থলবন্দর: - ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত। - ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। - স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়। - রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।
⇒ বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর: - বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত। - এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত। - স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।