ভূ-গাঠনিক অবস্থান ও গঠনকালের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি কয়টি প্রধান ভাগে বিভক্ত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩টি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩টি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
- ভূ-গাঠনিক অবস্থান ও গঠনকালের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্ভুক্ত প্রধান ভূ-রূপগুলো হলো—
- বরেন্দ্রভূমি,
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় ও
- লালমাই পাহাড়।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ ও প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত।
- দেশের অধিকাংশ এলাকা নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমি হওয়ায় এ অঞ্চলের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং কৃষিকাজের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন