ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন:
- বর্তমানে বিমসটেক এর সভাপতি বাংলাদেশ। - আগামী দুই বছরের জন্য বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ।- ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ দায়িত্ব বুঝে নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।
- ড. ইউনূস তার বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকরি বিমসটেকের ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার উপস্থাপন করেন।
- তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
- তিনি মুক্ত বাজার বা এফটিএ সংক্রান্ত বিমসটেক ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি বাস্তবায়নের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্পর্কিত বিমসটেক মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করার জন্য বিমসটেকভুক্ত রাষ্ট্রগুলোকে আরও দৃশ্যমান ও সক্রিয় ভূমিকা রাখান আহ্বান জানান যেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
- এ সময় বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতারা সর্বসম্মতিক্রমে ব্যাংকক ঘোষণাপত্র এবং বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন গ্রহণ করেন, যা একটি কৌশলগত রোডম্যাপ এবং এর লক্ষ্য সংগঠনটিকে টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক একীভূতকরণের দিকে পরিচালিত করবে।
- বিমসটেকের সনদ অনুসারে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের পদ বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়।
- ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ করে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি এবং সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
উৎস: The Daily Star বাংলা (
৪ এপ্রিল, ২০২৫ সাল)