অ্যাসিড বৃষ্টি: - মনুষ্য সৃষ্ট কারণে বায়ুতে যে প্রচুর পরিমাণে SO₂ ও NO₂ মিশে তা শিশির, তুষার ও বৃষ্টির জলের সংস্পর্শে সালফিউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে এবং পৃথিবীর বুকে ঝরে পড়ে। - এই ঘটনাকে অ্যাসিড বৃষ্টি বলে। - বিভিন্ন কল-কারখানা ও গাড়ি থেকে নির্গত ক্ষতিকর নানা রাসায়নিক পদার্থের ফলে বায়ু দূষণ হওয়ায় এসিড বৃষ্টির মূল কারণ। - প্রাণিজগৎসহ পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব রয়েছে এসিড বৃষ্টির। - আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক কারণেও এসিড বৃষ্টি হতে পারে। - ১৮৫২ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে প্রথম এসিড বৃষ্টি ও বায়ু দূষণের মধ্যে একটা সম্পর্ক খুঁজে পান স্কটিশ রসায়নবিদ রবার্ট স্মিথ।
উল্লেখ্য, - বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, কানাডার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং ইউরোপের বেশির ভাগ অঞ্চলেই এসিড বৃষ্টি পরিলক্ষিত হয়। - এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের দক্ষিণাঞ্চলও ভবিষ্যতে এসিড বৃষ্টির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। - এসিড বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে।