• আগস্ট মাস থেকে বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করে সমসাময়িক শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত রিপোর্টকে কেন্দ্র করে।
- আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসে ১৯৫৮ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক
এস.এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিশন গঠন করেন এবং পাকিস্তানের পরবর্তী শিক্ষানীতি সম্পর্কে একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদান করেন।
- ১৯৫৯ সালের আগস্ট মাসে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের নিকট হস্তান্তর করা হয় এবং ১৯৬২ সালে তা প্রকাশিত হয়।
- কমিশনের রিপোর্টে পাকিস্তানে ষষ্ঠ থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক, উর্দুকে সার্বজনীন ভাষায় রূপান্তর, উর্দু ও বাংলা ভাষার সম্পর্ককে আরো ঘনিষ্ঠতর করার প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
- কমিশন পাকিস্তানের একটি অভিন্ন বর্ণমালার জন্য সুপারিশ করে এবং অবৈতনিক শিক্ষার ধারণাকে অবান্তর বলে ঘোষণা করে।
• শরীফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সরকার ১৯৬২ সালে পাকিস্তানের শিক্ষা বিষয়ক কতগুলো সিদ্ধান্তও ঘোষণা করে। যথা—
১. প্রতিটি স্কুলে ৬০ শতাংশ ব্যয় সংগৃহীত হবে ছাত্রদের বেতন থেকে বাকি ২০ শতাংশ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নির্বাহ করবে।
২. পাস কোর্স ও অনার্স কোর্সের সময়গত পার্থক্য বিলোপ করা হয়।
সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।