ক্রিয়া:
- বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন:
• রাজীব খেলছে;
• বৃষ্টি হতে পারে।
গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া ৫ প্রকার।
যথা,
১. সরল ক্রিয়া:
- একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে।
যেমন:
সে লিখছে; ছেলেরা মাঠে খেলছে।
২. প্রযোজক ক্রিয়া:
- কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়।
৩. নামক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে আ বা আলো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন:
চমকানো, চমকায়, কমা, ছটফটানো (আ বা আনো প্রত্যয় যোগে)।
৪. সংযোগ ক্রিয়া:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন:
গান করা, গরম করা, সাঁতার কাটা, বিপদ কাটা, মরচে ধরা, ক্যাচ ধরা।
৫. যৌগিক ক্রিয়া:
- অসমাপিকা ক্রিয়ার সাথে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যৌগিক ক্রিয়া গঠন করে।
যেমন:
উঠে পড়া, বেঁধে দেওয়া, বলে ফেলা, কমে আসা, এগিয়ে চলা, বুঝে নেওয়া, সরে দাঁড়ানো।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।