এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।
পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।
তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড