বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মুখ ও মুখোশ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মুখ ও মুখোশ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
চলচ্চিত্র:
- 'মুখ ও মুখোশ' হলো বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র।
• এটি ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায়।
- ছবিটির পরিচালক ছিলেন আব্দুল জব্বার খান।
- তিনি একাধারে একজন দক্ষ অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং বাংলা চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক ছিলেন।
- তিনি ১৯১৬ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার উত্তর মসদগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- এবং ১৯৯৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
অন্যদিকে,
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হলো 'ওরা ১১ জন'।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়।
- এটি মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে।
- ছবিটির পরিচালক হচ্ছে- চাষি নজরুল ইসলাম।
- 'গেরিলা' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- ছবিটি সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল।
- ছবিটির পরিচালক- নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের ধারাবাহিকতায় 'জয়যাত্রা' ২০০৪ সালে নির্মিত হয়।
- এই ছবিটি নির্মাণ করেন তৌকির আহমেদ।
- 'জয়যাত্রা' মুক্তিযুদ্ধকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, মৃত্যু এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন