সুন্দরবনের বাঘ গণনায় কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় ?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: পাগমার্ক
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: পাগমার্ক
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
সুন্দরবনে বাঘ গণনায় পাগ-মার্ক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হতো; এই পদ্ধতিতে ভুল ত্রুটির সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় ২০১৯ সালে অপেক্ষাকৃত উন্নত এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
২০১৯ সালের বাঘ শুমারিতে প্রথমবারের মত ক্যামেরা ট্র্যাপিং - পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়।
২০১৬ সালে শুরু করে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত চারটি ধাপে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা, খুলনা ও শরণখোলা রেঞ্জের তিনটি ব্লকের এক হাজার ৬৫৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বিশেষ এক ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ২৪৯ দিনব্যাপী পরিচালিত এ জরিপ কার্যক্রমে ৬৩টি পূর্ণবয়স্ক বাঘ, ৪টি জুভেনাইল বাঘ এবং ৫টি অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাঘের প্রায় আড়াই হাজার ছবি পাওয়া যায়। এসব ছবি বিশ্লেষণ করে বাঘের ওই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুন্দরবনে বাঘের বিচরণ ক্ষেত্র চার হাজার ৪৬৪ কিলোমিটার এলাকাকে আপেক্ষিক ঘনত্ব দিয়ে গুণন করে বাঘের সংখ্যা হিসাব করা হয়েছে ১১৪ টি। ব্লক অনুযায়ী বাঘের ঘনত্ব বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, শরণখোলা রেঞ্জে বাঘের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি এবং খুলনা রেঞ্জে বাঘের ঘনত্ব সবচেয়ে কম।
সূত্রঃ প্রথম আলো আর্কাইভ (২০১৯)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন