গলগন্ড (Goiter) খাদ্য ও খাবার পানিতে আয়োডিনের অভাব, সংক্রমণজনিত প্রদাহ, টিউমার, অথবা গলগ্রন্থির কম কার্যকারিতার কারণে গলগ্রন্থির (thyroid) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ফুলে ওঠা গলগ্রন্থি গলার সামনে সহজদৃষ্ট হয়ে ওঠে। বেশির ভাগ গলগন্ড গলায় সীমাবদ্ধ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলি বুকের উপর দিকে বা কদাচিৎ অন্তর্বক্ষীয়ও হতে পারে।
বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে গলগন্ড ও আয়োডিনঘটিত অন্যান্য অসুস্থতা প্রশমনের কার্যক্রম শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় ৯টি জেলার প্রায় ৯৫,০০০ লোককে লেপিওডল ইনজেকশন দেওয়া হয়। একইভাবে ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ইউনিসেফের সহযোগিতায় রংপুর জেলার জলঢাকা উপজেলায় ৮০,০০০ লোককে ইনজেকশন দেয়। ১৯৮৫ সালে খাবার লবণে আয়োডিন মিশ্রণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।