মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত আকবর বাহিনী কোন অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিলো?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মাগুরা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মাগুরা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• মুক্তিযুদ্ধে আকবর বাহিনী:
- আকবর বাহিনী (শ্রীপুর, মাগুরা) স্থানীয় একটি মুক্তিবাহিনী।
- এর প্রধান ছিলেন আকবর হোসেন মিয়া।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মাগুরায় যে সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছিল, পরিস্থিতির অবনতি হলে মে মাসের প্রথম দিকেই কমিটির বেশির ভাগ নেতৃবৃন্দ ভারতে চলে যান। এক ধরনের নেতৃত্ব ও নির্দেশনাহীন অবস্থায় মাত্র কয়েকটি ৩০৩ রাইফেল, ১টি চাইনিজ রাইফেল ও কয়েক রাউন্ড গুলির ওপর নির্ভর করে ৩নং শ্রীকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আকবর হোসেন মিয়া একটি সুশৃঙ্খল মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলেন। যুদ্ধ চলাকালে এ বাহিনী 'আকবর বাহিনী' নামে পরিচিতি পায়।
• মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক বাহিনী:
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত। ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলারা।
উৎস: সংগ্রামের নোটবুক।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন