মিশরের বিখ্যাত ফারাও তুতেনখামেনের সমাধি কে আবিষ্কার করেছিলেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: হাওয়ার্ড কার্টার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: হাওয়ার্ড কার্টার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর হলো জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট ও বালটিস্তান পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত।
আন্তর্জাতিক বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ১৯২২ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টার তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কার করেন।
-----------
• মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতা, যা মূলত নীল নদ (Nile River) তীরে গড়ে উঠেছিল।
- এই সভ্যতার সূচনা প্রাক-রাজবংশীয় যুগ এ, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০–৩২০০ অব্দ (circa 5000–3200 BCE) সময়কাল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ সালে রাজা মেনেস (Menes) সমগ্র মিশরকে একত্রিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর ফলে সংগঠিত রাজনৈতিক শাসনের সূচনা ঘটে।
- তখন মিশরের রাজধানী ছিল মেমফিস (Memphis)।
- মিশরের রাজাদের বলা হতো ফারাও।
- তারা ধর্মীয় ও রাজনৈতিক—উভয় ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের অন্যতম বিখ্যাত ফারাও ছিলেন তুতেনখামেন (Tutankhamun) (খ্রি.পূ. ১৩৩৩–১৩২৪)।
- তাঁর সমাধি ১৯২২ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টার (Howard Carter) আবিষ্কার করেন।
- এটি প্রত্নতত্ত্বের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
---------------
উল্লেখ্য,
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে মিশরীয়রা অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়েছিল।
- ফারাওদের মৃতদেহ সংরক্ষণ ও সমাধিস্থ করার জন্য তারা বিশাল পিরামিড (Pyramid) নির্মাণ করে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো গিজার গ্রেট পিরামিড (Great Pyramid of Giza), যা ফারাও খুফু (Khufu) এর সমাধি হিসেবে নির্মিত।
- এছাড়া বিখ্যাত ভাস্কর্যের মধ্যে রয়েছে স্ফিংস (Great Sphinx of Giza), যার দেহ সিংহের এবং মাথা ফারাওয়ের আকৃতির।
- লিখনপদ্ধতির ক্ষেত্রে মিশরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি।
- এটি ছিল চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি।
- ‘হায়ারোগ্লিফিক’ শব্দের অর্থ হলো “পবিত্র লিপি”।
- তারা প্যাপিরাস গাছের বাকল দিয়ে কাগজ তৈরি করত, যা প্রাচীন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ লেখার উপকরণ ছিল।
- ধর্ম ও সমাজব্যবস্থায় মিশরীয়রা মূলত বহুদেবতাবাদী ছিল।
- তারা সূর্য, নীল নদ, আকাশ, মাটি ইত্যাদি শক্তিকে দেবতা হিসেবে পূজা করত।
- তবে একসময় ফারাও আমেনহোটেপ চতুর্থ সূর্যদেবতা এটন এর একক উপাসনা প্রচলন করেন;
- এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে ইখনাটন রাখেন।
- তাঁর স্ত্রী নেফারতিতি সৌন্দর্য ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে ইতিহাসে বিখ্যাত।
- তাছাড়া বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায়ও মিশরীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
- তারা প্রথম বছরে ১২ মাস এবং প্রতি মাসে ৩০ দিন ধরে সময় গণনার পদ্ধতি চালু করে।
- এছাড়া মৃতদেহ দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য তারা মমি তৈরির কৌশল উদ্ভাবন করে।
- এসব কারণে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা মানবসভ্যতার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
উৎস: Britannica ও ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
আন্তর্জাতিক বিষয়ের আরও প্রশ্ন