শব্দদূষণ (Sound Pollution)মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে - ডেসিবল (dB)। শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল (dB) হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। ৮৫ ডেসিবল (dB) শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ডেসিবল (dB) হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
⤇ শব্দ দূষণের কারণ হলো - বাস, ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চের হর্ণ, রেডিও, ক্যাসেট, টেলিভিশন ও মাইক উচ্চ শব্দে বাজানো। এছাড়া সাইরেন ও যুদ্ধসামগ্রীর শব্দ, বোমার বিস্ফোরণ, মেঘের গর্জন প্রভৃতি শব্দ দূষণের উৎস।
⤇
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) - এর মতে
সাধারণত ৬০ ডেসিবেল (dB) শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল (dB) শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।
উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।