ট্যারিফ কমিশনের কার্যক্রম মূলত কয়টি প্রধান শাখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩টি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩টি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ট্যারিফ কমিশন:
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন হলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৩ সালের ২৮ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি প্রথমে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯২ সালের “বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন, ১৯৯২” (৪৩ নং আইন) অনুযায়ী এটি পুনর্গঠিত হয়ে “বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন” নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে “বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন” রাখা হয়।
- দেশীয় শিল্পকে বিদেশি অসম প্রতিযোগিতা ও ডাম্পিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
- একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে নীতিগত সহায়তাও প্রদান করে।
- কমিশনের প্রধান কর্মকর্তা একজন চেয়ারম্যান, যিনি সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদা ভোগ করেন।
- কমিশনের কার্যক্রম মূলত ৩টি প্রধান শাখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা শাখা।
• বাণিজ্য প্রতিকার শাখা।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখার দায়িত্বে একজন করে সদস্য নিয়োজিত থাকেন।
- এছাড়াও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- প্রশাসনিক শাখার নেতৃত্ব দেন কমিশনের সচিব।
তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন