‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ মার্চ, ১৯৭১ সালের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীর যোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে এই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ভাস্কর্যটি অবস্থান: চান্দনা চৌরাস্তা, জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- স্থপতি: আবদুর রাজ্জাক।
- নির্মিত হয়: ১৯৭৩ সাল।
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভাস্কর্যটির বেদি ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।
বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন