'প্রাকৃত ভাষা' হলো-
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
আ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান হয় সব থেকে নিম্নে হয়। তাই নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি বলে।
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
সংস্কৃত ভাষা:
পাণিনি নামে একজন ব্যাকরণবিদ (তিনি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ব্যাকরণবিদ) খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দের দিকে তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' নামক বিখ্যাত গ্রন্থে এলোমেলো ভাষাগুচ্ছকে সংস্কার করে সর্বভারতীয় একটা সুস্থির রূপ দান করলেন।সেই থেকে এ ভাষার নাম হলো সংস্কৃত ভাষা।
'সংস্কৃত' কথাটার মানে যার সংস্কার করা হয়েছে, যাকে শুদ্ধ করা হয়েছে। সংস্কারজাত নতুন ভাষাই হলো সংস্কৃত ভাষা।
কিন্তু এ ভাষা তথাকথিত বিদগ্ধ ও অভিজাত শ্রেণির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল।
প্রাকৃত ভাষা:
লোকের মুখের ভাষাকে তো আর শাসন করা যায়নি। সাধারণের বোধগম্য ভাষা উপেক্ষা করে কার সাধ্য। তারা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নরূপে অগ্রসর হতে লাগল। এসব ভাষাকে বলা হয় আদিম প্রাকৃত ভাষা বা মধ্যভারতীয় আর্য ভাষা। 'প্রাকৃত' বা 'প্রাকৃত ভাষা' কথাটির তাৎপর্য হলো প্রকৃতির অর্থাৎ জনগণের কথ্য ও বোধ্য ভাষা। পালিভাষা, যে ভাষায় বৌদ্ধদের বহু ধর্মীয় পুস্তক লিখিত, এ সময়েরই একটি পর্যায়ে উদ্ভূত। পরবর্তীকালে এই 'প্রাকৃত' ভাষাই ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রভাবে, কথ্য ভাষার উচ্চারণের বিভিন্নতা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করল। এই 'প্রাকৃত ভাষা'ই আঞ্চলিক বিভিন্নতা নিয়ে বিভিন্ন নামে চিহ্নিত হলো। যেমন, 'মাগধি প্রাকৃত', 'মহারাষ্ট্রি প্রাকৃত', 'শৌরসেনি প্রাকৃত', 'পৈশাচি প্রাকৃত' ইত্যাদি। মাগধি প্রাকৃতের অপভ্রংশ (বা অবহট্ঠ অর্থাৎ যা খুব বিকৃত হয়ে গেছে) থেকেই কালক্রমে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে উৎপত্তি লাভ করে বাংলা ভাষা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ের আরও প্রশ্ন