সাধুভাষায় সর্বনাম ও অনুসর্গের কোন রূপটি ব্যবহৃত হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: পূর্ণাঙ্গ রূপ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: পূর্ণাঙ্গ রূপ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• সাধুভাষায় সর্বনাম ও অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপটি ব্যবহৃত হয়।
----------
• সাধুভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধুভাষা বাংলা গদ্যের একটি প্রাচীন ও মার্জিত রীতি।
- সাধুভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
১। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য থাকে। যেমন— গলদঘর্ম, নিরীক্ষণ, দিবাকর ইত্যাদি।
২। সন্ধি ও সমাসবদ্ধ দীর্ঘাকৃতি পদের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। যেমন— চতুর্থাংশ, মহাবুদ্ধিসম্পন্ন, বয়োবৃদ্ধিসহকারে, অস্থিরচিত্ত, শ্রবণেন্দ্রিয় ইত্যাদি।
৩। অসমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— করিলে, করিয়া, বলিয়া, হইয়া, তুলিয়া, বদলাইয়া ইত্যাদি।
৪। সমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— জন্মাইল, হইলেন, করিলেন, হইবেন, করিয়াছিলেন ইত্যাদি।
৫। সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— তাহারা, তাহাদিগের ইত্যাদি।
৬। অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন— হইতে।
৭। বাক্যরীতি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। সাধারণত প্রথমে উদ্দেশ্য (কর্তা) এবং পরে বিধেয় থাকে। বাক্যের শুরুতে বিশেষণযুক্ত বা বিশেষণবিহীন কর্তা, মাঝে কারকচিহ্নিত পদ ও ক্রিয়াবিশেষণ, এবং শেষে ক্রিয়াপদ থাকে। যেমন— ‘নিঃসঙ্গ পশুপতি আম্রকাননে দ্রুত প্রবেশ করিলেন।’
৮। সাধুভাষার গদ্যে আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়।
৯। নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য এ ভাষা উপযোগী নয়, কারণ এটি স্বাভাবিক কথ্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
১০। সাধুভাষা মার্জিত ও সর্বজনবোধ্য হলেও তা অনেকাংশে কৃত্রিম বলে বিবেচিত হয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন