চর্যাপদ প্রথম কোথায় থেকে প্রকাশিত হয়েছিল?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ মানে হলো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের লিখিত প্রথম নিদর্শন।
- এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত এক প্রকার সাধনমূলক গীতিকবিতা।
- এর ভাষা রীতি হলো কথ্য ভাষারীতি।
- ড. সুনীতিকুমারের মতে চর্যাপদের ভাষা পশ্চিম বঙ্গের উপভাষা।
- এবং ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বঙ্গকামরূপী অথবা প্রাচীন বাংলা ভাষা।
- চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা ও বলা হয়।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা লুইপা।
- অনেক পণ্ডিত লুইপাকেই প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা বলে মনে করেন।
- সুকুমার সেনের বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (প্রথম খণ্ড) অনুযায়ী চর্যাপদে ২৪ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- অন্যদিকে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদিত Buddhist Mystic Songs গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- সুকুমার সেন চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা ৫১টি মনে করলেও, তার চর্যাগীতি পদাবলী গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন, যা মুনিদত্তও ৫০টি পদ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
- ড. শহীদুল্লাহও চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫০টি হিসেবে ধরেছেন।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন