মূল বিষয়বস্তুতে যান

নিম্নের কোনটি ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকার প্রস্তাবনার অন্তর্ভুক্ত ছিল না?

সঠিক উত্তর

কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে শুধু উর্দু

সঠিক উত্তর: কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে শুধু উর্দু

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি ১ নম্বর

কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

→ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকার প্রস্তাবনার অন্তর্ভুক্ত ছিল না- কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে শুধু উর্দু ।

• ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বে তমদ্দুন মজলিশের ভূমিকা :
→ ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বে তমদ্দুন মজলিশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সংগঠিত প্রতিবাদ জানায় তমদ্দুন মজলিশ। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে এই সংগঠন পথিকৃতের ভূমিকা পালন করে।

• ঐতিহাসিক পুস্তিকা প্রকাশ:
→ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি ঐতিহাসিক পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এই পুস্তিকার সম্পাদক ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।
- এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল বাংলা ভাষার অনুকূলে। বাংলাকে স্বীকৃতি দানের দাবির এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ ছিল নিম্নরূপঃ

১. বাংলা ভাষাই হবে:
(ক) পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা এবং।
(গ) পূর্ব পাকিস্তানের অফিসের ভাষা;

২. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হবে দুটি- বাংলা ও উর্দু;
৩.
(ক) বাংলাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের প্রথম ভাষা। পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা একশ’ জনই এ ভাষা শিক্ষা করবেন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু হবে দ্বিতীয় ভাষা বা আন্তঃপ্রাদেশিক ভাষা। যারা পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে চাকরি ইত্যাদি কাজে নিযুক্ত হবেন শুধু তারাই এ ভাষা শিক্ষা করবেন। এই ভাষা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫ হতে ১০ জন শিক্ষা করলেও চলবে। মাধ্যমিক স্কুলের উচ্চতর শ্রেণিতে এই ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে শিক্ষা দেয়া হবে।
(গ) ইংরেজি হবে পাকিস্তানের তৃতীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিক ভাষা। পাকিস্তানের কর্মচারী হিসেবে যারা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাকরি করবেন বা যারা উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় নিয়োজিত হবেন তারাই শুধু ইংরেজি শিক্ষা করবেন। তাদের সংখ্যা পূর্ব পাকিস্তানে হাজার, করা একজনের চেয়ে কখনও বেশি হবে না। ঠিক এই নীতি হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদেশগুলোতে (স্থানীয় ভাষার দাবি না উঠলে) উর্দু প্রথম ভাষা, বাংলা দ্বিতীয় ভাষা আর ইংরেজি তৃতীয় ভাষার স্থান অধিকার করবে।
৪. শাসন কাজ ও বিজ্ঞান শিক্ষার সুবিধার জন্য আপাতত কয়েক বছরের জন্য ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই পূর্ব পাকিস্তানের শাসন কাজ চলবে। ইতিমধ্যে প্রয়োজনানুযায়ী বাংলা ভাষায় সংস্কার করতে হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার মাধ্যম হবে বাংলা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে শুধু উর্দু সঠিক
  3. বাংলা হবে পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা
  4. পূর্ব পাকিস্তানের অফিসের ভাষা হবে বাংলা

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?

  2. 2

    কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

  3. 3

    দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

  4. 4

    চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

  5. 5

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল