বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি কত সালে সর্বশেষ হালনাগাদ বা গৃহীত হয়?[জুন,২০২৬]
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০১১ সালে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গভাবে প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হয় ২০১১ সালে।
- এর আগে ২০০০ সালে দেশের প্রথম স্বাস্থ্যনীতি প্রণীত হয়েছিল।
• স্বাস্থ্যনীতি ২০১১-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- লক্ষ্য: দেশের সকল নাগরিকের, বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
- কমিউনিটি ক্লিনিক: এই নীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ছিল প্রতিটি গ্রামে বা নির্দিষ্ট জনসংখ্যা ভিত্তিক কমিউনিটি ক্লিনিকব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ: প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
- পুষ্টি ও মা-শিশু স্বাস্থ্য: পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ এবং মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।
উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন