মারমা জনগণ কোন বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মঙ্গোলয়েড
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মঙ্গোলয়েড
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
মারমা:
- মারমা জনগণ মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- এ বর্ণগোষ্ঠীর মানুষের বৈশিষ্ট্য হিসেবে চ্যাপ্টা মুখমণ্ডল, ছোট ও চওড়া নাক, বাদামি চোখ এবং সোজা চুল পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠী শারীরিক গঠন ও নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মঙ্গোলয়েড জনগণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উল্লেখ্য,
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন