জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার স্তর কত বছর পর্যন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অষ্টম শ্রেণি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: অষ্টম শ্রেণি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর প্রাথমিক শিক্ষার স্তরকে পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা।
• জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০:
- শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির প্রধান: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কবীর চৌধুরী (এটিকে কবীর চৌধুরী শিক্ষানীতিও বলা হয়)। কো-চেয়ারম্যান ছিলেন ড. খলীকুজ্জমান আহমদ।
শিক্ষার স্তর বিন্যাস:
- প্রাথমিক শিক্ষা: প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত (বর্তমানে এটি বাস্তবায়নের কাজ চলছে)।
- মাধ্যমিক শিক্ষা: নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত।
- বাধ্যতামূলক শিক্ষা: এই নীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষাকে (অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) সর্বজনীন, বাধ্যতামূলক এবং অবৈতনিক করার কথা বলা হয়েছে।
- প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা: ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য ১ বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর কথা বলা হয়।
উল্লেখ্য
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রশাসনিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষা এখনো পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্তই রয়ে গেছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (PEC) পরীক্ষাও পঞ্চম শ্রেণিতেই হতো।
- তবে শিক্ষানীতি ২০১০-এর সুপারিশ অনুযায়ী এটি হবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত।
উৎস: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন