তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity): - পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। - ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। - তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথাঃ- • প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা। • কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
♦ প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজষ্ক্রিয়তা বলে। ♦ কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।
তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: - তেজষ্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। - তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (a), বিটা কণিকা (B) ও গামা রশ্মি (y) নির্গত হয়। - তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। - পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। - এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।