পরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মুক্ত ইলেকট্রনের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মুক্ত ইলেকট্রনের উপস্থিতি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো –
বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- পরিবাহী পদার্থের (যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা) প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। যখন পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য তৈরি করা হয়, তখন এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই বিদ্যুৎ পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন অত্যন্ত সহজে চলাচল করতে পারে বলেই এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা অনেক বেশি হয়।
পরিবাহী পদার্থ:
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়।
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি সুপরিবাহী পদার্থ।
অপরিবাহী পদার্থ:
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ।
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ।
অর্ধপরিবাহী পদার্থ:
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম ইত্যাদি সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ।
অন্যান্য অপশন,
- আয়ন চলাচল অসম্ভব: এটি ভুল। কারণ তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী (যেমন: লবণ পানি) এর মধ্য দিয়ে আয়ন চলাচলের মাধ্যমেই বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
- মুক্ত ইলেকট্রনের অনুপস্থিতি: এটি ভুল। মুক্ত ইলেকট্রন না থাকলে সাধারণত তাকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলা হয়।
- তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবাহিতা কমে: এটি শুধুমাত্র ধাতব পরিবাহীর ক্ষেত্রে সঠিক। তাপমাত্রা বাড়লে ধাতুর পরমাণুর কম্পন বাড়ে, যা ইলেকট্রন প্রবাহে বাধা (রোধ) তৈরি করে এবং পরিবাহিতা কমিয়ে দেয়। তবে অর্ধপরিবাহী বা ইলেকট্রোলাইটের ক্ষেত্রে এটি ঘটে না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
রেফারেন্স মাত্র
বিজ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন