অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, বর্তমানে দেশে মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কতটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২৯টি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২৯টি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, জ্বালানি (তেল ও গ্যাস) সম্পর্কিত তথ্য:
• প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের মোট প্রাথমিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৫১% পূরণ করে।
• বর্তমানে মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
• এর মধ্যে ২৫টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত গ্যাস উৎপাদন হয়েছে।
• উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা।
• বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
• উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের হিসাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস।
• তিতাস গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
• প্রাথমিক মজুদের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস।
• তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক মজুদ – ৯৬১৪ বি.ঘ.ফু.।
• প্রাথমিক মজুদের হিসাবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা।
• বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক মোট মজুদ – ৮৬৬২.০ বি.ঘ.ফু.।
• বর্তমানে উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২০টি।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন